Showing posts with label Manish Mukhopadhyay. Show all posts
Showing posts with label Manish Mukhopadhyay. Show all posts
Posted By:
boibd
দেবতার দেহ - মনীষ মুখোপাধ্যায় Debotar Deho by Manish Mukhopadhyay
📖 দেবতার দেহ
✍️ মনীষ মুখোপাধ্যায়
📚 বেঙ্গল ট্রয়কা পাবলিকেশন
💲135 /-
◻️ চাকরি হারিয়ে ইন্সুরেন্সের দালালির কাজ পেলো সমর। হঠাৎ সমর পেলো এক পয়সাওয়ালা পার্টি।লোকটির নাম রামরতন রক্ষিত।তাঁর বাড়িতে পলিসি তুলতে গিয়ে অবাক হলো সমর। দেওয়াল জুড়ে অমন দেবতাদের কাটা মাথার মুখোশ সাজানো কেন?রামরতন তাঁকে গল্প শোনালেন এক দেবীর। যাঁর মাথাটা সাপের আর শরীরটা মেয়ে মানুষের।তিনি সর্পদেবী রন্নুৎ।ধীরে ধীরে সমরও জড়িয়ে গেল মিশরীয় এই সর্পদেবীর জালে। তারপর কি হলো?
◻️ সম্প্রতি শেষ করলাম বেঙ্গল ট্রয়কা পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত পেন্টাগ্রাম সিরিজের অন্যতম বই মনীষ মুখোপাধ্যায়- এর লেখা 'দেবতার দেহ '। পৃষ্ঠা সংখ্যা মাত্র ৬৪ , তাই একবারেই শেষ করে ফেলেছিলাম।
◻️ তন্ত্র মন্ত্র জাতীয় ভয়াল রসের বই আজ কাল অনেকই বের হলেও মনীষ বাবুর লেখা তাদের মধ্যে অন্যতম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, প্রথমত ভাষার ব্যবহার চমৎকার। দ্বিতীয়ত, গল্পের গতিবেগ খুব ভালো, শেষ পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় থাকে। এই বইয়ের ক্ষেত্রেও শুরুর দিক থেকেই লেখকের প্রশংসনীয় লেখনীতে গল্পটি বেশ গতিময় হয়ে ওঠে। মানুষের তৃতীয় রিপু মানুষ কে ক্রমাগত নিচের দিকে টানতে থাকে, এক সময় তার মধ্যে আর মনুষ্যত্ব অবশিষ্ট থাকে না, বেছে থাকে শুধু জান্তব চাহিদা। খুব কম লোকই পারে সেই লোভ কে জয় করতে। নিপুণভাবেই লেখক এই বিষয়ের বিন্যাস রচনা করেছেন।তবে বাধ সাধে গল্প যত ক্লাইম্যাক্সের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
◻️গল্পের মধ্যে ভয় , টানটান উত্তেজনা সবই রয়েছে তবে আমার শুধু মনে হলো যেন খুব তাড়াতাড়ি সমাপ্তি ঘটলো সবকিছুর ।শেষটা আরো ভালো হতে পারত, লেখক যদি সামান্য বাক্য ব্যয় করে লেখনীটি শেষ করতেন। আরেকটি বিষয়, লেখক দেবী রন্নুতের যে দৈহিক বিবরণ প্রদান করেছেন সেটাকে কখনোই দেবী মনসা বলে ভুল করার কথা না। আবার সেই পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মের হঠাৎ করে একদিন মনে হল যে "এটা তো দেবী মনসা না, কিসের দেবী একটু অনুসন্ধান করে দেখা হোক।"
◻️আমার বিশেষ প্রিয় বিষয় গল্পের একদম শেষের চমক - আরেক কাহিনীর সাথে সম্পর্কটি। আসলে লেখকের আগের বই সমস্ত পড়তে পড়তে এমন একটা এক্সপেকটেশন তৈরি হয়েছে , তাই হয়তো প্রত্যাশার পরিমাণ একটু পাহাড় প্রমান, এই বইয়ের প্রতিও সেই খিদেটা ছিলো প্রথম থেকেই। আরো টানটান উত্তেজনাপূর্ণ গল্প পড়ার আশা রেখে এবং লেখকের লেখনীকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানিয়ে আমার পাঠপ্রতিক্রিয়া এখানেই শেষ করলাম।
রিভিউটি লিখেছেনঃ
আপনিও লিখতে পারেন রিভিউ। বিস্তারিত দেখুন এখানে।
Posted By:
boibd
ধূমাবতীর মন্দির - মনীষ মুখোপাধ্যায় Dhumabotir Mandir by Manish Mukhopadhyay
বই - ধূমাবতীর মন্দির
লেখক - মনীষ মুখোপাধ্যায়
গ্রীষ্মকালের সন্ধ্যার আলো ফুরোতে সেদিন আর খুব বেশি সময় বাকি নেই, গোধুলির সময় মাঠের থেকে ফুটবল খেলে ফিরছিল বছর তেরোর মহেশ। নদী পারের জংলা জায়গাটায় এসে কেমন যেন একটা অস্বস্তি হল মহেশের। হাওয়ার চলাচলটাও যেন এই জায়গাটায় এসে গুম মেরে গেছে। মহেশ তাকিয়ে দেখল রাস্তার বাঁপাশে ঝোপের কাছে কেমন যেন বেমানান ভাবে বসে আছে বিরাট আকারের একজোড়া দাঁড়কাক। মহেশ এগিয়ে গেল ঝোপটার দিকে,মহেশকে এগিয়ে আসতে দেখে কাক দুটো খানিকটা সরে গেল। এতক্ষণ কাকগুলোর দিকে মনোযোগ থাকায় ভালো করে দেখতে পায়নি, সামনের ঝোপটার আড়লে দেখা যাচ্ছে একটা ছোট গম্বুজের মত। এদিক ওদিক দেখতেই আরেকটা আশ্চর্য জিনিস চোখে পড়লো, দেখেই মহেশের বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠলো কতগুলো পোড়া শোল মাছ গম্বুজটার চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কেউ যেন তাঁর কানে ফিসফিস করে বলছে যা, আরও এগিয়ে যা....
কলকাতার সাউ পরিবারের একটি পারিবারিক অভিশাপ রয়েছে। শেষ বয়সে এসে সকলে একটি কথায় বলে "রজনীগন্ধার গন্ধ পাচ্ছ?" শ্রী শ্রীলার কাছে দাদা কুমারেশের বলা এই একই কথা শুনে আঁতকে ওঠেন মহীতোশ কারণ সে জানে, কেবল যে শেষ বয়সে এসে তা নয় এই পাগলামী দেখা দেয় মৃত্যুর আগে। শ্রীলার মেয়ে অনন্যার আঁকা দেখে অসুস্থ হয়ে পড়লেন কুমারেশ এমনকি আশ্রমের গুরুদেব পর্যন্ত আতকে উঠলেন ছবিটি দেখে। কার ছিল সেই ছবি?
আশ্রমের গুরুদেব জানান সাউ পরিবারের এই অজানা অভিশাপ থেকে তাদের পরিবারকে রক্ষা করতে পারবে এমন একজন যার কোনও মোহমায়া নেই, যে হবে প্রকৃতই ত্যাগী আর বীরজা হোমের দ্বারা যে নিজের কুল বংশ পর্যন্ত ত্যাগ করেছে। এমন একজন শিষ্যর কথা তার জানা যে অল্প বয়সেই মোহমায়া ত্যাগ করেছে। শঙ্খশুভ্র যেন সাউ পরিবারের এক আশার আলো হয়ে আসে।
রামচরণ মুখুটির বলা পুথিঁ তন্ন তন্ন করে খুঁজে বের করেছেন পরেশ ভট্টাচার্য। এই পুথিঁই নাকি তার একমাত্র সন্তান মহেশ কে বাঁচাতে পারবে এই বিপদ থেকে। অতীতে কোন উদ্দেশ্যে জাগানো হয়েছিল দেবী ধূমাবতীকে? শঙ্খশূভ্র কী পারবে দেবীকে শান্ত করে সাউ পরিবার কে রক্ষা করতে?
রিভিউটি লিখেছেনঃ Rupa
আপনিও লিখতে পারেন রিভিউ। বিস্তারিত দেখুন এখানে।
Subscribe to:
Posts (Atom)

